বৃহস্পতিবারই মৌনী রায় তাঁর বিবাহ বিচ্ছেদের কথা ঘোষণা করেন। গত কয়েক দিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল, মৌনী আর সূরজ নাম্বিয়ার নাকি আলাদা থাকছেন। এর পরে সমাজমাধ্যম থেকে একে অন্যকে সরিয়ে দেওয়া ও বিচ্ছেদের জল্পনা নিয়ে জলঘোলা। অবশেষে মৌনী নিজেই বিচ্ছেদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেন। তবে নেটপাড়ার একটা বড় অংশের দাবি, এই বিচ্ছেদের নেপথ্যে রয়েছেন মৌনীর প্রিয় বান্ধবী দিশা পটানী।
মৌনী ও দিশা যেন হরিহর আত্মা। যে কোনও অনু্ষ্ঠান হোক কিংবা ঘুরতে যাওয়া— সর্বত্রই তাঁরা একসঙ্গে। মৌনীর বিয়েতেও কনেপক্ষের তরফে চুটিয়ে মজা করেন দিশা। সূরজ ও মৌনীর সঙ্গে একাধিক পার্টিতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। মৌনী তাঁর স্বামীকে সমাজমাধ্যম থেকে সরাতেই দিশাও একই কাণ্ড করেন। তাতেই নেটাগরিকের একাংশ প্রশ্ন তোলে, ‘‘দিশাও কেন সূরজকে সরিয়ে দিলেন সমাজমাধ্যম থেকে?’’ কেউ কেউ বলেন, ‘‘শেষমেশ মৌনীর সংসারটা ভেঙেই ছাড়লেন!’’
অনেকের মতে মৌনী ও দিশার সম্পর্ক নাকি বন্ধুত্বের থেকেও গভীর। সেটাই নাকি অভিনেত্রীর বিবাহিত জীবনে প্রভাব ফেলেছে। যদিও মাঝে দিশার সঙ্গে পঞ্জাবি গায়ক তলবিন্দরের প্রেমের গুঞ্জন শোনা যায়। যদিও তার পরেও দিশাকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি নেটাগরিকেরা।
অন্য দিকে, বৃহস্পতিবার সমাজমাধ্যমের পাতায় মৌনী বিবৃতি দিয়ে সকলকে অনুরোধ করেন তাঁদের নিয়ে যেন কোনও ধরনের বিভ্রান্তিমূলক খবর না ছড়ায়। এই মহূর্তে নিজেদের গুছিয়ে নেওয়ার জন্য গোপনীয়তা দাবি করেছেন তাঁরা।
মৌনী ও দিশা যেন হরিহর আত্মা। যে কোনও অনু্ষ্ঠান হোক কিংবা ঘুরতে যাওয়া— সর্বত্রই তাঁরা একসঙ্গে। মৌনীর বিয়েতেও কনেপক্ষের তরফে চুটিয়ে মজা করেন দিশা। সূরজ ও মৌনীর সঙ্গে একাধিক পার্টিতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। মৌনী তাঁর স্বামীকে সমাজমাধ্যম থেকে সরাতেই দিশাও একই কাণ্ড করেন। তাতেই নেটাগরিকের একাংশ প্রশ্ন তোলে, ‘‘দিশাও কেন সূরজকে সরিয়ে দিলেন সমাজমাধ্যম থেকে?’’ কেউ কেউ বলেন, ‘‘শেষমেশ মৌনীর সংসারটা ভেঙেই ছাড়লেন!’’
অনেকের মতে মৌনী ও দিশার সম্পর্ক নাকি বন্ধুত্বের থেকেও গভীর। সেটাই নাকি অভিনেত্রীর বিবাহিত জীবনে প্রভাব ফেলেছে। যদিও মাঝে দিশার সঙ্গে পঞ্জাবি গায়ক তলবিন্দরের প্রেমের গুঞ্জন শোনা যায়। যদিও তার পরেও দিশাকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি নেটাগরিকেরা।
অন্য দিকে, বৃহস্পতিবার সমাজমাধ্যমের পাতায় মৌনী বিবৃতি দিয়ে সকলকে অনুরোধ করেন তাঁদের নিয়ে যেন কোনও ধরনের বিভ্রান্তিমূলক খবর না ছড়ায়। এই মহূর্তে নিজেদের গুছিয়ে নেওয়ার জন্য গোপনীয়তা দাবি করেছেন তাঁরা।
তামান্না হাবিব নিশু